অন্যান্যসেরা খবর

অসহ্য পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে, পেট থেকে বেরোলো ৬৩ টি এক টাকার কয়েন!

বর্তমানে মানসিক অবসাদ মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এই অবসাদ মানুষ শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে তিলে তিলে নষ্ট করে দেয়। অনেক মানুষই এই ডিপ্রেশন সহ্য করতে না পেরে সাংঘাতিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। মানসিক চাপ থেকে বাঁচতে চিকিৎসকরা সবসময় আমাদের হাসিখুশি থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ এই মানসিক চাপ একবার ডিপ্রেশনের আকার ধারণ করলে যে কতটা ক্ষতি হতে পারে তার প্রমাণ আবারও পাওয়া গেলো।

বিগত বেশ কিছুদিন ধরে মনের মধ্যে চাপ পুষে রেখেছিলেন যোধপুরের এক ব্যক্তি। সেই চাপ কখন গিয়ে ডিপ্রেশনের আকার নিয়েছে তা বুঝতেও পারেনি তার পরিবারের সদস্যরা। জানা গেছে উক্ত ব্যক্তির বয়স প্রায় ৩৬।

হঠাৎ করেই অসহ্য পেটে ব্যাথা শুরু হয় তার। এরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। চিকিৎসকরা বিভিন্ন পরীক্ষা করে জানতে পারেন ধাতব কোনো বস্তু রয়েছে রয়েছে তার পেটে। অবিশ্বাস্য লাগলেও এমনটাই ঘটেছে যোধপুরে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, বিগত কিছু মাস ধরেই অবসাদে ভূগছিলেন তিনি। এরপর হঠাৎ করেই পেটে যন্ত্রণা শুরু হলে ডাক্তারের কাছে যান তিনি। সেখানে জানান ১০-১২ টা কয়েন খেয়ে ফেলেছেন তিনি। তার এই কথা শুনে তড়িঘড়ি পরীক্ষা শুরু করেন। জানা যায় বেশ কিছু ধাতব পদার্থ জমে রয়েছে তার পেটে। আরো ভালো করে দেখতেই বোঝা যায় কিছু কয়েন জমে রয়েছে সেখানে।

ঘটনার গুরুত্ব বুঝে আর দেরি করতে চাননি চিকিৎসকরা। এন্ডোস্কপির মাধ্যমে দুন ধরে ওই ব্যক্তির পেট থেকে সমস্ত কয়েন বার করে নিয়ে আসেন তারা। জানা গেছে মোট ৬৩ টা কয়েন বের হয়েছে তার পেট থেকে। ওই হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের প্রধান নরেন্দ্র ভার্গব এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, ‘পেটের ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ব্যক্তি জানান তিনি ১০-১৫ টা কয়েন (coin) খেয়ে ফেলেছেন। এরপর এক্স-রে করার পর আমরা জানতে পারি, ওই ব্যক্তির পেটের ভিতরে কিছু রয়েছে’।

প্রাথমিক ভাবে অবাক হলেও চিকিৎসকদের ধারণা মানসিক অবসাদ থেকেই এই কাজটি করেছেন এ ব্যক্তি। জোধপুরের এমডিএম হাসপাতালের এক চিকিৎসকের কথায়, ‘মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এই রোগী। আর এই কারণেই বেশকিছু এক টাকার কয়েন খেয়ে ফেলেন তিনি। মোট ৬৩ টি কয়েন বার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থই রয়েছেন’।

Related Articles

Back to top button