অন্যান্যসেরা খবর

আর দীঘা, পুরী যেতে মন চাইবে না! অল্প খরচেই ঘুরে আসুন এই হিল স্টেশনে! মন হয়ে যাবে ফুরফুরে

ভ্রমণপিপাসুদের কাজই হলো সময় সুযোগ বুঝে পোঁটলা পুঁটুলি নিয়ে বেরিয়ে পড়া। অবশ্য মানুষের কর্ম ব্যাস্ত জীবনে ভ্রমণ একমাত্র উপযোগী বিনোদন। তাই সময় পেলেই মাথার চাপ কমানোর জন্য ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া উচিতও বটে। আর এই কারণেই বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র। এরমধ্যে ভারতে এমন বহু পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে যেখানে প্রতি বছর দেশ বিদেশের লক্ষাধিক মানুষ ভিড় জমায়।

এবার এই ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যেই বিভিন্ন রকম ভাগ আছে। কেউ কেউ গতানুগতিক ধারায় দীঘা, পুরি, দার্জিলিং গিয়েই খুশি। আবার কেউ কেউ সম্পূর্ণ নতুন জায়গা, নতুন মানুষ এবং নতুন রীতিনীতি খুঁজতে বেশি ভালোবাসেন। আজকের প্রতিবেদনে এমনই একটা জায়গার সাথে পরিচয় করাবো যার কথা হয়তো খুব কম মানুষই জানেন। কিন্তু শহুরে ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকার জন্য একেবারে আদর্শের জায়গা।

দার্জিলিং থেকে ২২ কিঃমিঃ দূরের একটি গ্রাম এটি। সবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নামডাক শুরু হয়েছে। গ্রামটির নাম চটকপুর। সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এখন প্রশ্ন আসবে এখানে দেখার কী আছে? চলুন জেনে নিই বিস্তারিত।

প্রথমেই জানিয়ে রাখি সিঞ্চল ওয়াইল্ড লাইফ স্যানচুয়ারির অন্তর্গত চটকপুর গ্রামটি দার্জিলিংয়ের থেকেও ৭৮৮৭ বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। মূলত পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গড়ে উঠেছে গ্রামটি। কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য এবং পাহাড়ের কোলে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখতে চাইলে চটকদার গ্রাম আদর্শ জায়গা। এছাড়াও চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পাহাড়ি ঝর্ণা।

এছাড়াও এখানে রয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার। ওয়াচ টাওয়ারে উঠে গেলেই আপনার চোখে পড়বে কুয়াশায় মোড়া পাইন গাছের সারি। খুব বেশি হলে এক দশক হবে এই গ্রামটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। তার আগে অবদি কৃষিকাজই ছিলো গ্রামবাসীদের প্রধান জীবিকা। এরপর একজন পর্যটক এই গ্রামে গিয়ে এখানকার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। এবং এখানকার মানুষকে পর্যটনের রাস্তা দেখান।

তার পরামর্শ মেনে গ্রামবাসীরা হোম স্টে শুরু করেন। এবং সাল ২০০৯ থেকে ইকো ভিলেজে হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে চটকপুর গ্রামটি। প্রথম প্রথম এই গ্রামটির কথা সবাই জানতোনা। সেই সময় পর্যটক না থাকলেও ২০১২ এর পর থেকে লোক জমতে থাকে এখানে। মাত্র ১৯ টি পরিবার নিয়ে তৈরি এই গ্রামটি এখন উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

Related Articles

Back to top button