অন্যান্যসেরা খবর

দুজনের সম্পর্কে মনোমালিন্য, সারাক্ষণ খালি ঝগড়া, এই উপায়ে চলুন সুখী হবেন দুজনেই

সমস্ত বিবাহিত দম্পতিই তাদের বৈবাহিক জীবন সুখের করে তুলতে চায়। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন অনেক সময়ই আসে যখন দেখা যায় যে, বোঝাপড়ার চেয়ে ঝগড়াঝাঁটি অনেক বেড়ে গেছে। দিনদিন কাছে আসার বদলে বেড়ে যায় দূরত্ব। কারণে অকারণে নোকঝোক, খিটিমিটি, অশান্তি লেগেই থাকে। তবে এই সমস্যারও রয়েছে সমাধান। কয়েকটি ছোট কাজ করলেই ফিরে আসবে রোম্যান্স। এমন কিছু কার্যকরী পরামর্শ এখানে প্রকাশ করা হলো।

১. কাজের চাপ, অফিসের কাজ এইসবে একটুতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলছেন হয়তো। এই খাটুনি ক্লান্তিই হতে পারে আপনার সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হওয়ার কারণ। সেক্ষেত্রে দুজনে যখন বাড়ি ফিরছেন তখন বাকি সব কাজের চিন্তা ছেড়ে একটু খোলা জায়গায় মুখোমুখি বসুন। সংসার, জীবন, ভালো লাগা এসব নিয়ে গল্প করুন। দেখবেন বোঝাপড়া ধীরে ধীরে বাড়ছে।

২. সঙ্গীকে খুব ভালোবাসেন কিন্তু প্রকাশ করতে পারছেননা। তাহলে সমস্যা আছে। সময়ে অসময়ে মনের অনুভূতি প্রকাশ করার দরকার আছে বৈকি। বিশেষ করে রাতে একান্তে সময় কাটানোর সময় সঙ্গীকে জানান যে আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন। দেখুন তো আপনার সঙ্গী এতে খুশি হয় কি না।

৩. অনেকসময় একটা আলতো ঠোঁটের স্পর্শ, একবার জড়িয়ে ধরা বা একটা ফুল, চকলেট সম্পর্কের তিক্ততা কমিয়ে দেয়। অফিস থেকে ফেরার পথে সঙ্গীর পছন্দের কোনো কিছু একটা কিনে এনে তাকে সারপ্রাইজ দিন। দেখবেন ফিরে আসবে আগের প্রেম।

৪. সম্পর্কের মধ্যে খুব বেশি জেদ বা ইগো রাখবেন না। সম্পর্কে সব সময় এক জনের ইচ্ছে প্রাধান্য পাবে এমন হতে পারে না। তাই ঝগড়াঝাঁটি যাই হোক একজন চুপ করে যান। এটা দুজনের জন্যই প্রযোজ্য। পরে দুজনেই নিজের মধ্যে ভেবে দেখুন নিজের দোষ কী ছিলো। যদি দোষ থেকে থাকে সঙ্গীকে সরি বলুন। দেখবেন আপনার সঙ্গীও তখন বোঝার চেষ্টা করবে।

৫. সারাদিনের পর ফোনটা একটু দূরেই থাক না। দিন শেষে যখন সঙ্গীর কাছে আসবেন তখন যথাসম্ভব ফোনের নোটিফিকেশন এড়িয়ে চলুন। সেই সময়টা শুধু সঙ্গীকেই প্রাধান্য দিন। আপনার জীবনে তার গুরত্বটাও বোঝানো দরকার।

৬. সারাদিনে দুজন যেখানেই থাকুন না কেন রাতের খাবারটা অবশ্যই একসাথে খান। একে অন্যের থেকে যত দূরে থাকবেন, তত অশান্তি বাড়বে। তাই রাতের খাবার দুজন মিলেই রান্না করুন‌। অথবা রেস্তোরাঁয় যান, কিংবা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করুন। এতে ইগোর লড়াই কমবে এবং দাম্পত্য জীবন সুন্দর হয়ে উঠবে।

Related Articles

Back to top button