বিনোদনসেরা খবর

বিবাহিত অভিনেতার সাথে ১০ বছরের গভীর সম্পর্ক, বিচ্ছেদের পর আর কাউকে মন দেননি অভিনেত্রী টাব্বু

বলিউডে টাব্বুকে কে না চেনে। শক্তিশালি অভিনয় আর গভীর ব্যক্তিত্বপূর্ন চাহনীর মধ্যে দিয়ে সারা দেশকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই চলচ্চিত্র জগতের সাথে যুক্ত তিনি। এতদিনের ক্যারিয়ারে তিনি যতগুলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রত্যেকটিই তিনি সুনিপুণ দক্ষতায় বড় পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

একসময় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজকরে আজ ইন্ডাস্ট্রির টপ নায়িকাদের একজন তিনি। নব্বইয়ের দশক থেকে একাধিক সুপারহিট ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন বক্স অফিসকে। আর এই ছবিতে কাজ করার সময় অনেক অভিনেতার সাথে নাম জড়িয়েছে তার। তবে আজ ৫১ বছর বয়সেও তিনি যেন সেই ষোড়শী বয়সের মতো কুমারী এবং অসূর্য্যস্পশ্যা।

তবে এক সময় টাব্বু ও অভিনেতা নাগার্জুনের সম্পর্ক নিয়ে কম কাটাছেঁড়া হয়নি। তো চলুন আজ জেনে নিই এই দুজনের অসম্পূর্ণ প্রেমের গল্প। টাব্বু এবং নাগার্জুনের জুটি বেশ হিট হয়েছিল সারা ইন্ডাস্ট্রিতে। ‘চাঁদনি বার’, ‘কালাপানি’, ‘মকবুল’, ‘মাচিস’ এবং ‘বিজয়পথ’-এর মতো বহু সুপারহিট ছবিতে কাজ করেছেন তারা দুজনে।

জানা যায় প্রায় ১০ বছর একে অপরকে ডেট করেছিলেন টাব্বু এবং নাগার্জুন। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের সম্পর্ক মধূরেন সমাপয়েৎ হয়নি। আর সেইজন্য দায়ী ছিল নাগার্জুনের বিয়ে। অভিনেতা নাগার্জুন বিবাহিত হওয়ায় পরেও ১০ বছর ধরে ডেট করতে থাকেন টাব্বুকে। আসলে তারা গোপনে, লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করছিলেন।

‘নিন্নে পেল্লাদাতা ছবির শ্যুটিংয়ে তাদের প্রথম দেখা হয়। এরপর দীর্ঘকাল একে অপরের সাথে নিজেদের ভাব বিনিময় করলেও বিয়ে করতে পারেননি তারা। টাব্বু নাগার্জুনকে এতটাই ভালোবাসতেন যে, তার সাথে দেখা করার জন্য আস্ত একখানা বাড়িই কিনে ফেলেন। মুম্বাই থেকে হায়দ্রাবাদ গিয়ে চলত তাদের প্রেমালাপ।

তবে পরবর্তীতে টাব্বু বুঝতে পারেন যে, নাগার্জুন কোনোদিনই তার স্ত্রীকে ছেড়ে বেরিয়ে আসবেন না। তখনই ১০ বছরের সম্পর্কে ইতি টানেন তিনি। ২০১২ সালে একে অপরের থেকে বহুদূরে চলে যান। সেই একবার হৃদয় ভাঙার পর টাব্বু আর কাওকে নিজের মন দেননি। তাই আজ ৫১ বছর বয়সেও তিনি অবিবাহিত এবং আজও তাকে পাওয়ার আশায় বহু পুরুষ চাতক পাখির মতো চেয়ে রয়েছে।

Related Articles

Back to top button