বিনোদনসেরা খবর

অমিতাভের সঙ্গে শুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন হেমা মালিনী, হাজার চেষ্টাতেও লুকানো যায়নি বেবিবাম্প!

গোটা বলিউড জুড়েই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানাবিধ গল্প। বিতর্ক আর বলিউড যেন একে অপরের সমার্থক শব্দ। কখনও পাবলিসিটির লোভে তো কখনও আবার কাজের জন্য, তারকারা হামেশাই কন্ট্রোভার্সিতে ঘেরা। তা সে আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ হোক বা সাদা কালোর যুগ। বলিউড মানেই গসিপ।

তখনও সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমা শুরু হয়নি। নায়িকারা অন্তঃসত্ত্বা হলে ছিলোনা বেববাম্প শো করার ফ্যাশন। ম্যাটারনিটি ফটোশুট বলেও কিছু হয়, এটাই জানতোনা মানুষ। বরং কখনো কখনো প্রেগন্যান্সি লুকিয়ে কাজ করতে হতো নায়িকাদের। গ্রাফিক্স দিয়ে লুকোনো যেতোনা নায়িকার মা হওয়ার খবর।

ড্রেসারদের সাহায্য নিয়ে এমন পোশাক আশাক পরতেন যাতে বেবিবাম্প বোঝা না যায়। আর এই ঘটনার ব্যতিক্রম ছিলেননা হেমা মালিনীও। তাকেও একবার শাল দিয়ে লুকোতে হয়েছিলো নিজের গর্ভাবস্থার খবর। খবর প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক সমালোচনা হয় অভিনেত্রীকে নিয়ে। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিলো হেমা মালিনীর সাথে।

প্রসঙ্গত,‘সত্তে পে সত্তা’ ছবির শুটিং চলাকালীন গর্ভবতী হয়ে পড়েন তিনি। সেই সময় শুটিং করার অবস্থায় না থাকলেও ইতিমধ্যেই চুক্তিপত্রে সই করে ফেলার কারণে পিছিয়ে আসার কোনো উপায় ছিলোনা হেমা মালিনীর কাছে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই শুটিং চলাকালীন স্পষ্ট হয়ে ওঠে তার বেবিবাম্প। আর এই খবর বাইরে চাউর হতেও খুব বেশি সময় লাগেনি।

স্বাভাবিক ভাবেই কন্ট্রোভার্সি ঘিরে ধরে হেমাকে। একটি গানের দৃশ্যে তার বেবি বাম্প এর ছবি ফুটেও ওঠে, তবে ডাইরেক্ট সেই দৃশ্য শাল দিয়ে ঢাকার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন কিন্তু দর্শকের চোখকে ফাঁকি দিতে পারেনি। প্রসঙ্গত, পরে হেমা মালিনী ধর্মেন্দ্রর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু এই কথা খুব কম মানুষই জানেন যে, হেমা মালিনীর সাথে বিয়ের সময় প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি অভিনেতা।

শোনা যায় ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের প্রচ্ছন্ন অনুমতিও ছিলো এই বিয়েতে। কিন্তু তার দুই পুত্র সানি দেওল এবং ববি দেওল বাবার এই দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। ফলস্বরূপ আজও ধর্মেন্দ্রর পৈতৃক বাড়িতে পা রাখার সাহস পাননি হেমা।

Related Articles

Back to top button