বিনোদনভিডিওসেরা খবর

বলিউডে শনির দশা! শুরুতেই বিদেশের মাটিতে বন্ধ ‘থ্যাঙ্ক গড’-র প্রদর্শনী, মুক্তির আগেই সমস্যায় সিদ্ধার্থ-অজয়ের নতুন ছবি

ঘরে বাইরে চারিদিকেই বিপদ। ট্রেলার মুক্তি পেতে না পেতেই বয়কটের মুখে পড়লো অজয় দেবগন আর সিদ্ধার্থ মালহোত্রার ছবি থ্যাঙ্ক গড। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে অভিনেতা অজয়, সিদ্ধার্থ এবং ছবির পরিচালক ইন্দ্র কুমারের বিরুদ্ধে। আর এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, দেশের বাইরেও সমস্যায় পড়ে গেছে ছবিটি।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ছবির ট্রেলার রিলিজ হতেই কুয়েতে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে ছবির প্রদর্শনী। সেই দেশের সেন্সর বোর্ড থেকে মেলেনি ছাড়পত্র। যদিও সানি দেওল, দুলকার সলমন অভিনীত ‘চুপ’, অমিতাভ বচ্চন, রশ্মিকা মন্দানা অভিনীত ‘গুডবাই’, আর মাধবনের ‘ধোকা: রাউন্ড ডি কর্নার’ এবং তামিল ছবি ‘সিনাম’ এর প্রদর্শনীর জন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি কুয়েত সেন্সর বোর্ড। তবে ‘থ্যাঙ্ক গড’ ছবির জন্য দরজা বন্ধ করে দিয়েছে কুয়েত।

এখানেই শেষ নয়, সনাতন ধর্মে আঘাত হানার পাশাপাশি আরো একটি বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে ‘থ্যাঙ্ক গড’-এর নির্মাতাদের বিরুদ্ধে। নেটিজেনদের দাবি যে, এই ছবি নাকি বাংলার কাল্ট ক্লাসিক ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’ থেকে হুবহু নকল করা হয়েছে। ছবির ট্রেলার দেখে অন্তত তাই মনে হচ্ছে, এমনটাই দাবি নেট নাগরিকদের।

যারা বাংলা ছবির ভক্ত তারা হয়তো কিংবদন্তি অভিনেতা ভানু বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় অভিনীত যমালয়ে জীবন্ত মানুষ ছবিটি দেখে থাকবেন। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম অ্যাসেট এটি। দীনবন্ধু মিত্রের লেখা গল্পকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন পরিচালক প্রফুল্ল বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। ছবিতে দেখানো হয়েছিলো কিভাবে চিত্রগুপ্তের পাঠানো যমদূত ভুল করে জ‍্যান্ত মানুষকে ধরে যমালয়ে নিয়ে চলে যায়।

এদিকে অজয়-সিদ্ধার্থের আসন্ন ছবির ঝলক শুরু হচ্ছে সিদ্ধার্থর জীবনের এক দুর্ঘটনা দিয়ে। যেখানে তিনি মর্ডান চিত্রগুপ্তের সাথে দেখা করছেন। অজয় অভিনীত সেই পৌরাণিক চরিত্র সিদ্ধার্থের ইহজগতের পাপ-পুণ্যের হিসাব দিতে থাকে। যা করাই চিত্রগুপ্তের কাজ। এখন নেটিজেনদের দাবি এই দুটি ছবির গল্প নাকি প্রায় এক। তাছাড়া কিছু দৃশ্যে নাকি প্রভুকে ছোটো করে দেখানো হয়েছে এবং আপত্তিকর শব্দের ব্যবহার হয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের।

এই অভিযোগকারীদের তালিকায় রয়েছেন আনন্দ শ্রীবাস্তব, ব্রিজেশ নিষাদ, মান সিংহ, বিনোদ শ্রীবাস্তব এবং রবি প্রকাশ পাল। তাদের বক্তব্য, বলিউড সবসময়ই হিন্দুদের বিশ্বাস নিয়ে মস্করা করতে থাকে। অন্যথা হয়নি এই ছবিতেও। মুনাফা অর্জন এবং টিআরপি বাড়ানোর জন্যই আপত্তিকর দৃশ্যগুলি চিত্রায়িত করা হয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নেতিবাচক দিকে প্রভাবিত করে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে নির্মাতাদের তরফ থেকে কোনো বক্তব্য আসেনি।

Related Articles

Back to top button