বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যৌথভাবে জোরালো হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করেছে আমেরিকায় এবং ইজরায়েল (US Iran War)। আর তারপর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ইরান। একের পর এক হামলা চালিয়ে উপসাগরীয় দেশ গুলিতে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র যে ইরান নয় তা প্রত্যেক মুহূর্তে বুঝিয়ে দিচ্ছে খামেনির দেশটি। এবার আরও একটি মার্কিন F-15 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করল এই দেশ।
আমেরিকার আরও এক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান
বুধবার ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট আমেরিকার আরও একটি F-15 যুদ্ধবিমানকে গুলি করে মাটিতে নামিয়ে এনেছে। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কার্যত কপালে হাত পড়েছে আমেরিকার।
বলাই বাহুল্য, এর আগে গত সোমবার ইরানের খাদেম আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার পরিষ্কারভাবে জানিয়েছিল, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমেরিকার তিন তিনটি ফাইটার জেট মাটিতে নামিয়ে এনেছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার যুদ্ধবিমানগুলিকে ভূপাতিত করার পাশাপাশি সেগুলির ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া আপলোড করা হয়েছে ইরানের সেনাবাহিনীর তরফে। এবার নতুন করে আরও এক মার্কিন ফাইটার জেট ধ্বংস করল খামেনির দেশ।
অবশ্যই পড়ুন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাতে কত খরচ হচ্ছে আমেরিকার? সংখ্যাটা জানলে আঁতকে উঠবেন!
উল্লেখ্য, ভয়াবহ যুদ্ধের আবহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সিংহাসনে কে বসবেন তা নিয়ে সংশয় ছিল প্রথম থেকেই। যদিও সেই সংশয় কাটিয়ে আলিরেজা আরাফিকে খামেনির বিকল্প হিসেবে জায়গা দিয়েছিল ইরান। তবে সেই দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর শোনা যাচ্ছিল ইরানের সিংহাসনে বসানো হতে পারে খোদ খামেনির পুত্র মোজতবাকে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বুধবার ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী একেবারে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন, “আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিকল্প হিসেবে যাকেই সিংহাসনে বসানো হবে, তাঁরই মৃত্যু হবে।”











