Papiya Paul

ভুলে যান চাকরি! অল্প পুঁজিতে সরকারি সাহায্য নিয়ে শুরু করুন এই ব্যবসা, রাতারাতি হবেন মালামাল

নিউজশর্ট ডেস্কঃ Business Idea For Biscuit Making Business: শুধুমাত্র চাকরি নয়, চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা(Business) করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারেন আপনি। তবে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে হুট করে যে কোন ব্যবসায় ইনভেস্ট করলে লাভের বদলে লোকসান হতে পারে, তাই সমস্ত কিছু বিচার বিবেচনা করে তবে ব্যবসায় পা বাড়ানো উচিত। আপনাদের জন্য একটি ছোট ব্যবসার সম্পর্কে আজকে আলোচনা করব। এই ব্যবসা আপনি খুব অল্প জায়গার মধ্যে থেকে শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে নিজের বাড়িতে বিস্কুট তৈরির ব্যবসা(Biscuit Making Business) করে মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন।

   

চলুন তাহলে এই ব্যবসা(Business Idea) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। বিস্কুট উৎপাদন চারটি প্রধান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গঠিত। মিশ্রণ, গঠন, বেকিং এবং প্যাকিং। এই ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি সরকারের থেকে সাহায্য পেয়ে যাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা পাপড় তৈরি, আচার তৈরি, মিষ্টির দোকান বা ছোট পরিষেবার খাবারের স্টোর, ক্যাটারিং, ক্যান্টিন পরিষেবা ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে মুদ্রা ঋণ পরিষেবা প্রদান করে। এই মুদ্রা যোজনাকে তিন ভাগে করা হয়েছে। একটি ভাগ শিশু, অপরটি কিশোর, আর তারপরে তরুণ।

  • এই শিশু ভাগের ক্ষেত্রে আপনি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।
  • আর কিশোর ভাগের ক্ষেত্রে আপনি ৫০ হাজার টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।
  • আর তরুণ ভাগের ক্ষেত্রে আপনি ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।

কি কি প্রয়োজন – আপনি যদি খুব ছোট ব্যবসা করতে চান তাহলে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। আপনি যদি নিজের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে বাকি অর্থ পেয়ে যাবেন। ৫০০ থেকে ৮০০ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হবে। চাইলে আপনার বাড়িকেও এই ব্যবসার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে আপনার ভাড়ার খরচ বেঁচে যাবে। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে বিস্কুট তৈরির সময় অন্য কোন খাবার রান্না করা কিন্তু সরকারি নির্দেশিতায় নিষেধ রয়েছে। এই বাণিজ্যিক রান্না ঘরের জন্য আপনার পর্যাপ্ত  এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সঠিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রয়োজন রয়েছে।

বিশেষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি: যেহেতু বিস্কুট একটি খাদ্যদ্রব্য তাই লাইসেন্সের জন্য আপনাকে স্থানীয় সরকারের কাছ থেকে NOC নিতে হবে। এর সাথেই এলএলপি, প্রাইভেট লিমিটেড বা লিমিটেড কোম্পানি, জিএসটিআইএন, ট্রেড লাইসেন্স, এফএসএসএআই লাইসেন্স, ট্রেড মার্ক, এমএসএমই-এর অধীনে নিবন্ধন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড থেকে এনওসি হিসাবে রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজ (আরওসি) এর সাথে নিবন্ধন করতে হবে।

আপনি যদি এই সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে সঠিক ভাবে বিস্কুট তৈরির ব্যবসায় নিয়োজিত হতে পারেন তাহলে প্রত্যেক মাসে আপনি ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। আর ব্যবসা বাড়লে প্রত্যেক মাসেই লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব।