EPFO সদস্যদের জন্য রইল জরুরি খবর। বেসরকারি খাতের কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য সংস্থায় কর্মরত যে সকল কর্মচারী কিছু কারণে EPFO-এর প্রকল্প ও সুবিধাগুলি গ্রহণ করতে পারছেন না, তাদের জন্য রইক দারুণ সুখবর। এখন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের অধীনস্থ কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল সংস্থা ‘কর্মচারী তালিকাভুক্তি অভিযান’ (EEC) চালু করেছে। এই অভিযানের মাধ্যমে ১৭ বছর পুরনো কর্মচারীরা ইপিএফও-তে যোগদান করতে পারবেন। 

বড় সুখবর শোনাল EPFO 

জানা গিয়েছে, ১ এপ্রিল, ২০০৯ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে নিযুক্ত কর্মচারীরা সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন। নিয়োগকর্তাদের অনলাইনে তথ্য অবশ্যই দিতে হবে। এটি এমন একটি প্রচার অভিযান যার লক্ষ্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কারণে EPF-এর আওতায় না-আসা যোগ্য কর্মচারীদের নথিভুক্ত করা। এই উদ্যোগের আওতায় EPFO-তে আগে থেকে রেজিস্টার হোক বা না হোক, সব যোগ্য প্রতিষ্ঠানই নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবে।

কীভাবে কাজ করবে নতুন ব্যবস্থাটি?

যোগ্য নিয়োগকর্তারা EPFO-র পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ঘোষণা জমা দিয়ে বাদ পড়া কর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। ঘোষিত প্রত্যেক কর্মচারীর জন্য উমাং (UMANG) অ্যাপের মাধ্যমে ফেস অথেন্টিকেশন ভিত্তিক ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN) তৈরি করা এবং ইলেকট্রনিক চালান-কাম-রিটার্ন (ECR)-এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তার অবদান জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম বড় সুবিধা হলো, যদি পূর্ববর্তী সময়ে কোনো কর্মচারীর বেতন থেকে PF-এর অবদানের কাটা না হয়ে থাকে, তাহলে সেই সময়ের কর্মচারীর টাকা সম্পূর্ণ মকুব করা হবে। নিয়োগকর্তাকে শুধু নিজের অংশের টাকা, তার উপর প্রযোজ্য সুদ এবং প্রশাসনিক খরচ বহন করতে হবে। পাশাপাশি, নিয়ম মেনে চলার প্রমাণ হিসেবে এককালীন ১০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।

মানতে হবে কিছু শর্ত 

ইপিএফও-র বারাণসী আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, জনশক্তি সরবরাহকারী সংস্থা-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ধারা ৭এ বা ধারা ১২৫-এর অধীনে তদন্তাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিও এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে। তবে, শুধুমাত্র সেই কর্মচারীদের নাম ঘোষণা করা যাবে, যারা সংশ্লিষ্ট সময়ে PF-এর আওতায় আসেননি, বর্তমানে জীবিত এবং ঘোষণার সময় একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।