পার্থ সারথি মান্না, কলকাতাঃ যতদিন যাচ্ছে ততই রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হলেও দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাই জনস্বার্থে একটি মামলা দায়ের করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। যেখানে রাজ্যকে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে গার্ডরেল বা ব্যারিকেড ব্যবহার করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।
রাজ্যকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট
আসলে রাস্তায় চলা গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যারিকেড ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ধ্রুব মুখোপাধ্যায় নাম এক ব্যক্তির দাবি জাতীয় সড়কে যেখানে সেখানে ব্যারিকেড দেওয়া থাকে। এক্ষেত্রে কোনো আইন মানা হয় না, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। এমনকি এর ফলস্বরূপ মানুষের প্রাণ অবধি যাচ্ছে। এই কারণে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।
এদিন শুনানির সময় আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, কিছুদিন আগেই ব্যারিকেডের জন্য জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার জেরে বর্ধমান আদালতের এই উকিলের মৃত্যু হয়েছে। এই বক্তব্য শোনানোর পর জাতীয় সড়কের তরফ থেকে জানা যায় তারা কোনো ব্যারিকেড লাগাই না। এদিকে পুলিশের মতে, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেই এই ব্যারিকেড দেওয়া হয়।
ব্যারিকেড নিয়ে রাজ্যের বক্তব্য
রাজ্যের তরফ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, রাত্রের বেলায় গাড়ি নিহ্যন্ত্রন থেকে শুরু করে বাইরের রাজ্য থেকে আসা মালবাহী ট্রাকের উপর নজর রাখতে জাতীয় সড়কে ব্যারিকেড লাগানো হয়ে থাকে। এগুলো সরানো হলে আদতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ কপাল খুলল ৭.৫ কোটি কর্মচারীর, পিএফ অগ্রিম তোলার সীমা বেড়ে হচ্ছে ৫ লাখ
কি জানাল কলকাতা হাইকোর্ট?
মামলাকারী পক্ষ ও রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর প্রধানবিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের তরফ থেকে রাজ্যের উদ্দেশ্যে নিৰ্দেশ জারী করা হয়। বলা হয়, রাত্রে রাজ্য ও জাতীয় সড়কগুলোতে এমনভাবে ব্যারিকেড লাগাতে হবে যাতে কমপক্ষে ১০০ মিটার দূর থেকে সেটা দেখা যায়। তবে এক্ষেত্রে আরও একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। সেটা হল যেখানে খুশি ব্যারিকেড লাগানো যাবে না। আগে থেকেই রাজ্যকে একটি নির্দেশিকা জারি করতে হবে।