শ্রী ভট্টাচার্য, কলকাতা: সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা (Retirement Age) বাড়ানো হবে? বয়সসীমা বাড়িয়ে ৬০ থেকে ৬২ বছর করা হবে কিনা তা নিয়ে সত্যিটা অবশেষে সামনে এসেছে। আর পাঁচটা সাধারণ কর্মচারীর মতো অনেক সংসদ সদস্যই (এমপি) এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা তুলছিলেন এতদিন এবং অবশেষে সরকার এখন একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
সংসদে উত্থাপিত আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল, সরকার কি কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের সময় শূন্য পদগুলি বাতিল করার পরিকল্পনা করছে। মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেছেন যে অবসরের পরে শূন্যপদগুলি অপসারণের জন্য সরকারের কোনও নীতি নেই। ২০১৪ সাল থেকে কতগুলি পদ বাতিল করা হয়েছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, সরকার বলেছে যে তাদের কাছে এই বিষয়ে কোনও সরকারী তথ্য নেই।
কেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা আলাদা?
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়স কেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের থেকে আলাদা, তাও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়স নীতিগুলি পৃথক রাজ্য দ্বারা নির্ধারিত হয়, কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা নয়। তাই, প্রতিটি রাজ্য অবসরের বয়সের জন্য নিজস্ব নিয়ম নির্ধারণ করতে পারে।
অবসরের বয়সসীমা (Retirement Age) কি তাহলে বাড়বে?
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সম্প্রতি স্পষ্ট করেছেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের এই মুহূর্তে সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। এর অর্থ হল আপাতত, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৬০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ চালিয়ে যেতে পারবেন। ওদিকে কর্মচারী ইউনিয়নগুলি অবসরের বয়স পরিবর্তনের দাবি করছে কিনা তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে জাতীয় কাউন্সিল অবসরের বয়স পরিবর্তনের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি। এখনও পর্যন্ত, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়স ৬০ বছর রয়েছে, তবে এটি বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন হতে পারে।
সংক্ষেপে বলে রাখি, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়স বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা বর্তমানে নেই। অবসরের বয়স আপাতত ৬০ বছরই থাকবে। সরকার আরও স্পষ্ট করেছে যে কর্মচারীরা অবসর নেওয়ার পরে শূন্য পদ বাতিল করে না এবং প্রতিটি রাজ্য রাজ্য কর্মীদের জন্য নিজস্ব অবসরের বয়স নির্ধারণ করতে পারে।