সময় বয়ে যাচ্ছে, আজও উপেক্ষিত ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাজ্যের একটি রেল স্টেশন (Railway Station)। জানলে অবাক হবেন, বিগত তিন বছর ধরে, প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নিশাতপুরা রেল স্টেশনটি যাত্রীদের নয, উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্ল্যাটফর্ম, ওয়েটিং রুম, বিদ্যুৎ এবং যাত্রীদের জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পূর্ণ প্রস্তুত, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন এই স্টেশনে তার নিয়মিত যাত্রা শুরু করে উঠতে পারেনি। শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না তো? কিন্তু এটাই সত্যি।
৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্টেশন আজও উপেক্ষিত
আজ কথা হচ্ছে ভোপালের নিশাতপুরা রেলওয়ে স্টেশন নিয়ে যা আজ স্থানীয়দের মতে ভূতুড়ে স্টেশনে পরিনত হয়েছে বলে খবর। এই রেলওয়ে স্টেশনটি গত তিন বছর ধরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানকার প্ল্যাটফর্ম পুরোপুরি প্রস্তুত, অথচ ট্রেন থামছে না। প্রশাসনিক অনুমোদনের অভাবে কোটি টাকার একটি প্রকল্পে ক্রমেই ধুলো জমছে।
ভোপাল জংশনের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমানো এবং নিকটবর্তী হাজার হাজার যাত্রীকে রেল পরিষেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রকল্পটি এখন একটি অসম্পূর্ণ সংযোগ সড়ক, অমীমাংসিত কাজ এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের কারণে থমকে আছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে যে, ২০২৩ সালের জুনে স্টেশনটির পরিকাঠামো শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কেন তা সময়মতো সম্পন্ন করা হয়নি। স্টেশনটির প্ল্যাটফর্ম, ওয়েটিং রুম এবং যাত্রীদের জন্য অন্যান্য সুবিধাগুলো প্রায় তিন বছর ধরে ব্যবহারের অপেক্ষায় রয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও সমাজবিরোধীরা এই সুবিধাগুলো ব্যবহার করছে, অথচ যে যাত্রীদের জন্য স্টেশনটি তৈরি করা হয়েছিল, তারা বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে।
হাজার হাজার যাত্রী সরাসরি উপকৃত হবেন
নিশাতপুরা রেলওয়ে স্টেশন চালু হলে নিশাতপুরা, করন্দ, আনন্দ নগর, নবাব কলোনি এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার যাত্রীর স্বস্তি মিলবে। মালওয়া এক্সপ্রেস এবং রাজকোট এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনের যাত্রীরা সন্ত হিরদারাম নগর স্টেশনে না গিয়ে তাদের নিকটতম স্টেশন থেকেই ট্রেন ধরতে পারবেন। এতে সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হবে এবং ভোপাল জংশনের ওপর যাত্রীদের চাপ কমবে।

