রেশন কার্ডধারীদের (Ration Card) জন্য রইল সুখবর। এবার রেশন ব্যবস্থায় চালু হল ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency)। কেন্দ্রীয় সরকার সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (সিবিডিসি)-র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার আওতায় সুবিধাভোগীদের কাছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্যশস্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছে। আর এই নতুন যুগান্তকারী ব্যবস্থাটি শুরু হল পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে।
রেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
এই সুবিধাটি চালু হওয়ার ফলে, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার অধীনে প্রদত্ত খাদ্য ভর্তুকি এখন থেকে সুবিধাভোগীদের কাছে সরাসরি ডিজিটাল রুপিতে বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় খাদ্য ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী শুক্রবার এই সুবিধাটি চালু করেছেন। একই সাথে, দাদরা ও নগর হাভেলিতে এই সুবিধাটি অনলাইনেও চালু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী নতুন সিস্টেম প্রসঙ্গে বলেছেন যে আরবিআই এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় দেশের খাদ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে।
তিনি বলেন যে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প এবং এর সুবিধাভোগীর সংখ্যা অনেক ইউরোপীয় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হল প্রকল্পে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি রেশনের সুবিধা যেন শুধুমাত্র যোগ্য ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করা। মন্ত্রী জানান যে, পাইলট প্রকল্পের সময় এমন অনেক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল যারা এই প্রকল্পের অধীনে সুবিধা পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না। এদের মধ্যে ছিলেন বিদেশে চলে যাওয়া ব্যক্তি, আয়করদাতা এবং একই পরিবারের এমন সদস্যরা যারা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা পাওয়ার অধিকারী ছিলেন না। এই ধরনের ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থাটিকে আরও কার্যকর করা হচ্ছে।
কী বলছেন মন্ত্রী?
প্রহ্লাদ যোশী জানান যে, ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর ফলে রেশন বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা বিলুপ্ত হবে। তিনি জানান, আগে রেশন ও পেনশনের মতো প্রকল্পের জন্য অর্থ মানি অর্ডারের মাধ্যমে দেওয়া হতো এবং ২০ থেকে ২৫ শতাংশ অর্থ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি সুবিধা প্রদানের ফলে এই ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করা যাবে। তাঁর মতে, বিভিন্ন প্রকল্পের ডিজিটাইজেশনের ফলে দেশের ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় হয়েছে।
মোবাইল স্ক্যান বা ওটিপি-র মাধ্যমে শনাক্তকরণ হবে
নতুন ব্যবস্থায়, সুবিধাভোগীদের মোবাইল স্ক্যান বা ওটিপি-র মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। সম্পূর্ণ রেশন বিতরণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করা হবে, যার ফলে কোন সুবিধাভোগী রেশন পেয়েছেন এবং বিতরণে কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা তা শনাক্ত করা সহজ হবে। মন্ত্রী জানিয়েছেন যে খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে শহুরে জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ এবং গ্রামীণ জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ সুবিধা পেতে থাকবে। যদি কোনো যোগ্য ব্যক্তির রেশন কার্ড না থাকে, তবে তাকে একটি রেশন কার্ড দেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো সমস্ত যোগ্য দরিদ্র পরিবারকে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা। প্রকল্পটির উন্নতির জন্য এআই-ভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে

