আর মাত্র কয়েকটা দিন, ব্যস তারপরেই চলে আসবে দুর্গাপুজো। তারপর তো লাইন দিয়ে লক্ষ্মীপুজো,কালীপুজো, দিওয়ালি, ছটপুজো তো রয়েছেই। ইতিমধ্যে অনেকে অনেক প্ল্যান অবধি করে ফেলেছেন। এই সময়ে কেউ যাবেন বাড়ি তো কেউ যাবেন ঘুরতে। তবে এই উৎসবের সময়ে ট্রেনের কনফার্ম টিকিট পাওয়া আর ভগবানের দেখা পাওয়া সমান। অনেকেই এখন থেকে টিকিট বুকিং (Ticket Booking) উইন্ডো খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন। বারবার রেলের টিকিট বুকিং অ্যাপগুলি চেক করছেন। আপনিও কী তাঁদের মধ্যে একজন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। আজ জানাবো এই উৎসবের সময়ে কখন টিকিট বুকিং উইন্ডো ওপেন হবে সকলের জন্য।
উৎসবের সময়ে টিকিট বুকিং কখন শুরু হবে?
উৎসবের মরসুমে ট্রেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে এখনই টিকিট বুকিংয়ের তারিখ জেনে রাখুন। ভারতীয় রেলের নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রার দিন বাদ দিয়ে ৬০ দিন আগে থেকে সাধারণ রিজার্ভেশন শুরু হয় এবং প্রথম দিনের বুকিং সকাল ৮টার পর পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর জন্য, ১৭ অক্টোবরের যাত্রার টিকিট বুক করা যাবে ১৮ আগস্ট থেকে। ৬ নভেম্বরের দিওয়ালির টিকিটের বুকিং শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। আর ১৩ নভেম্বরের ছট পুজোর যাত্রার টিকিট বুক করা যাবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে। উৎসবের সময়ে চাহিদা বেশি থাকায় নির্ধারিত দিনে দ্রুত টিকিট বুক করাই ভালো।
টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে
এমনিতেই দিওয়ালির সময়ে দিল্লি, মুম্বই, গুজরাট, পঞ্জাব-সহ বিভিন্ন শহর থেকে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গগামী ট্রেনে ব্যাপক ভিড় হয়। তাই সেপ্টেম্বরের শুরুতেই টিকিট বুক করার পরিকল্পনা করা ভালো। রেল সূত্রে খবর, ছট পুজোর টিকিট বুকিং শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে। তাই আগেভাগে যাত্রা করতে চাইলে ৭ সেপ্টেম্বর থেকেই টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ মিলবে। ছটের সময়ে বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পূর্ব উত্তরপ্রদেশগামী ট্রেনে ভিড় সবচেয়ে বেশি থাকে।
IRCTC-র নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ রিজার্ভেশনের প্রথম দিনের বুকিং সকাল ৮টার পর শুরু হয়। যাত্রার দিন বাদ দিয়ে ৬০ দিন আগে থেকে এই বুকিং করা যায়। তবে কিছু ট্রেনে অগ্রিম বুকিংয়ের সময়সীমা কম হতে পারে। উৎসবের সময়ে অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে রেল বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেন চালাতে পারে। সাধারণ ট্রেনে টিকিট না মিললে তাই রেলের বিশেষ ট্রেন সংক্রান্ত ঘোষণার দিকেও নজর রাখা জরুরি।

