বিনোদনসেরা খবর

‘সব খানেরা বলিউডের লেজেন্ড, ওদের বয়কট করার অধিকার কারোর নেই,’ বয়কট প্রসঙ্গে মন্তব্য একতা কাপুরের

বলিউডের সাড়ে সর্বনাশ যেন শেষ হওয়ারই নাম নেই। সেই যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা একটার পর একটা চলতেই থাকছে। মাস কয়েক আগের টলিউড বনাম বলিউডের পর এবার সোজা পৌঁছে গেছে বলিউড বনাম দর্শকমহল। একটার পর একটা হিন্দি ছবিকে বয়কটের ডাক দিচ্ছে ভারতীয় দর্শকরা।

যদিও সমালোচকদের মতে জনতার এই রোষের পেছনে খোদ বলিউডের অবদানও কম নয়। যেভাবে দিনের পর দিন ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করে গেছে এই ইন্ডাস্ট্রি তারই ফলাফল আজকের এই বয়কট ট্রেন্ড। নেপোটিজম, ভারতীয় সংস্কৃতির অপপ্রচার এই সবেরই জবাব দিচ্ছে জনতা।

প্রসঙ্গত, গত ১১ আগস্ট রাখি বন্ধন উপলক্ষ্যে মুক্তি পেয়েছিলো আমির খানের ‘লাল সিং চাড্ডা’। ছবিটি নিয়ে নির্মাতাদের ব্যাপক প্রত্যাশা থাকলেও সবকিছুতে জল ঢেলে দিয়েছে জনতা জনার্দন। ট্রেড বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়কট বলিউড ট্রেন্ড এবং আমির খানের বাজে অভিনয় এই দুইয়ে মিলিয়ে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে ফরেস্ট গাম্পের রিমেক এই ছবিটি।

তবে এরমধ্যে বলিউডের বেশকিছু কলাকুশলী এগিয়ে এসেছিলো ছবিটির শেষ রক্ষা করতে। যদিও শুকনো কথায় যে, চিঁড়ে ভেজেনি তা বক্স অফিস কালেকশন থেকেই স্পষ্ট। এমতাবস্থায় মুখ খুলেছেন বলিউডের আরেক দাপুটে পরিচালক তথা প্রযোজক একতা কাপুর।

সম্প্রতি এক চিটচ্যাটে একতা বলেন, “এটি খুব অদ্ভুত যে আমরা সেই সমস্ত লোকদের বয়কট করছি যারা চলচ্চিত্র শিল্পে ব্যবসার সেরাটা দিয়েছেন। ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত খান, শাহরুখ খান, সালমান খান, সাইফ আলি খান এবং বিশেষ করে আমির খান হলেন কিংবদন্তি। আমরা তাদের বয়কট করতে পারি না। আমির খানকে কখনো বয়কট করা যায় না, সফট অ্যাম্বাসেডার আমির খানকে বয়কট করা যায় না।”

একতার এই মন্তব্যের পর বেশ তর্ক বিতর্ক শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, “আপনি বয়কট করতে পারেন না কিন্তু আমরা পারি”, জনৈক কটাক্ষ, “সাধারণ মানুষ এদের লেজেন্ড তৈরি করেছে তাই মানুষের পুরো অধিকার রয়েছে নিজেদের পছন্দ বেছে নেওয়ার”। একজন তো আবার সরাসরি একতাকেই কটাক্ষ শানিয়ে বলেছেন, “এবার সময় এসেছে আপনার বস্তাপচা সিরিয়াল বয়কট করার”।

Related Articles

Back to top button