অন্যান্যসেরা খবর

মাত্র ২২ বছর বয়সে অসম্ভবকে সম্ভব, প্রথমবারেই UPSC-তে স্থান করে নজর কাড়লেন ভোপালের এই কন্যা

সাফল্যের স্বাদ একদিনে পাওয়া যায়না। তার জন্য করতে হয় কঠোর পরিশ্রম, মনে রাখতে হয় করে দেখানোর জেদ। এমন বহু মানুষ আছেন যারা বহু ঝড় ঝাপটা সামলে এখন সাফল্যের বিছানায় বসে আড়মোড়া ভাঙছে।

আজ এই প্রতিবেদনে এমনই এক লড়াকু মেয়ের কথা বলবো যে এমন অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে যে গোটা দেশ‌ তাকে নমস্কার জানাচ্ছে।

আজ এই প্রতিবেদনে আমরা ২২ বছর বয়সী সোনালী পারমারের কথা বলছি যে হাজার বাধা পেরিয়ে জিতে নিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ কঠিন পরীক্ষা UPSC। সোনালীর পুরো নাম সোনালী সিং পারমার। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের অন্তর্গত তহসিল ইছাওয়ারের একটি ছোট্টো গ্রাম পালখেদির বাসিন্দা তিনি। সম্প্রতি UPSC পরীক্ষায় ১৮৭ তম স্থান অর্জন করে আইপিএস পদে যোগদান করতে চলেছেন।

এরমধ্যে বিশেষ ব্যাপার হলো প্রথম চেষ্টাতেই এতো বড়ো সাফল্য পেয়েছেন তিনি। সোনালীর বাবা ডাঃ রাজেন্দ্র পারমার কৃষি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। অন্যদিকে সোনালীর মায়ের নাম অর্চনা পারমার যিনি কৃষি বিভাগের সহকারী পরিচালক। মেয়ের এই বড় কৃতিত্ব অর্জনে বাবা মা উভয়েই দারুণ খুশি। তাদের বক্তব্য মেয়ে শুধু বাবা-মায়ের নামই উজ্বল করেনি বরং গৌরবান্বিত করেছে গোটা রাজ্যের নাম।

প্রসঙ্গত, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বাদশ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন সোনালী। বাবা মা দুজনেই কৃষি বিভাগের সাথে যুক্ত থাকায় এদিকেই বিশেষ ঝোঁক ছিলো সোনালীর। এর সাথে সাথে সিভিল সার্ভিসের পদমর্যাদাও বিশেষ আকর্ষিত করতো তাকে। তার অনুপ্রেরণা ছিলেন জেলার প্রথম আইএএস অফিসার প্রীতি মৈথিল।

সোনালি,প্রীতি মৈথিলকে তার রোল মডেল হিসাবে বিবেচনা করে আইপিএস এর প্রস্ততি শুরু করেছিলেন। এরজন্য কঠোর পরিশ্রম করেন তিনি। সম্প্রতি একটি নিউজ চ্যানেলের সঙ্গে কথোপকথনে সোনালী জানান, তিনি দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করতেন। তার মতে, তার একটাই লক্ষ্য ছিল আর তা হল ইউপিএসসিতে সাফল্য পাওয়া। আর এই লক্ষ্য পূরণে যে কোনো বাধার সম্মুখীন হতে রাজি তিনি।

Related Articles

Back to top button