অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষা যেন শেষই হতে চাইছে না। অষ্টম বেতন কমিশন ২০২৫ সালের নভেম্বরে গঠিত হয়েছিল। তারপর থেকে, কমিশন দেশের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য বৈঠক করেছে। বৈঠকগুলিতে কমিশন কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং তাদের সংগঠনগুলির সাথে আলোচনা করেছে এবং পরামর্শ চেয়েছে। এখন অষ্টম বেতন কমিশন আলোচনার পরবর্তী পর্ব শুরু করছে। আগামী আগস্ট মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে।
অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে বড় আপডেট
জানা গিয়েছে, বেতন কমিশন ৭ই এবং ১০ই আগস্ট কর্মচারী সংগঠনগুলির সাথে বৈঠক করবে। তবে, সংগঠনগুলিকে অবশ্যই ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে বেতন কমিশনের কাছ থেকে তাদের প্রাপ্য অর্থ সংগ্রহ করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ শক্তিশালী নিম্নচাপের জেরে ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের আজ ৬ জেলায় অ্যালার্ট
অষ্টম বেতন কমিশনের জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, দিল্লিতে নিবন্ধিত সমিতি, ফেডারেশন ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিরা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রতিনিধিরা এই সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তাঁদের অবশ্যই কমিশনের কাছ থেকে সাক্ষাতের সময় নিতে হবে। কমিশন এখনও দিল্লিতে সভার সঠিক স্থান জানায়নি। এই তথ্য আগামী দিনগুলিতে আলাদাভাবে জানানো হবে।
কী নিয়ে আলোচনা হবে?
বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিনিধিরা দিল্লির বৈঠকে বেতন সংশোধন, পেনশন, ভাতা, যোগ্যতা নির্ধারণী বিষয়, পদোন্নতি, কাজের পরিবেশ এবং অন্যান্য কর্মচারী-সম্পর্কিত বিষয় উত্থাপন করতে পারবেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে দাবি জানানো যাবে। অষ্টম অর্থ কমিশন নির্দেশ দিয়েছে যে, মন্ত্রক, বিভাগ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে ২০২৬ সালের ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে কর্মচারীদের তথ্য আপলোড করতে হবে। এই সময়সীমা আগেও বাড়ানো হয়েছে, তাই এবারও এর মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, পোর্টালের মাধ্যমে আপলোড করা হলেই কেবল তথ্য বৈধ বলে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো, পিডিএফ, ইমেল বা হার্ড কপি এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি দিল্লি বাস পরিষেবা শুরু, জানুন ভাড়া ও রুট
জানিয়ে রাখি, অষ্টম অর্থ কমিশনকে ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯ মাস ইতিমধ্যে কেটে গেছে। আরও নয় মাস বাকি আছে। বেতন কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই কারণেই সংস্থাগুলো ক্রমাগত উচ্চতর ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের দাবি জানাচ্ছে। একটি সংস্থা ৩.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর দাবি করেছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের অনুপাতে কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর যত বেশি হবে, মূল বেতনও তত বেশি হবে। এখন দেখার সরকার এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়।

