বছরের পর বছ ধরে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) -র টাকা আটকে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে মামলাও চলছে ও শুনানিও হচ্ছে। তবে খুব যে সুরাহা হচ্ছে সেটাও নয়। এদিকে দফায় দফায় নবান্নে সে পুরনো হোক বা নতুন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে সরকারি কর্মীদের। যদিও সবাই সব টাকা এখনো অবধি পাননি। কবে পুরো টাকা মিলবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এরই মাঝে প্রকাশ্যে একটি তথ্য এল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা কত টাকা করে বেতন (Salary) পান সে বিষয়ে। এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায়। 

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরা কত টাকা বেতন পান?

এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মীদের মধ্যে বেতনের কতটা পার্থক্য তা তুলে ধরেন মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, 'আমরা এই এওয়ান সিটিটা ধরেই বলেছি, ওদের ২৭% এইচআর-এ। তাহলে দেখুন, ৬০ আর ২৭-৮৭% যোগ করলে ওই ১৮, ০০০ টাকার সঙ্গে তারা যে মূল বেতনটা পায়, প্রায় ৩৪, ০০০ টাকা। মানে বেসিকে পার্থক্য মাত্র ১০০০ টাকা, কিন্তু বেতনের পার্থক্য প্রায় ৩৪, ০০০ টাকা। ৩৪, ০০০ টাকা মানে ওখানে ২২, ০০ আর ৩৪, ০০০ মানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা।'

মলয়বাবু জানান, 'আরও আছে, সেগুলো আমরা পাই না। ট্রান্সপোর্ট অ্যালাউন্স আছে ৬০০ টাকা, ১৬০০ টাকা, আর ৩২০০ টাকা। ওটা বেসিক অনুযায়ী। এক নম্বর স্কেলের হচ্ছে ৬০০ টাকা যাতায়াতের জন্য। অনেকে ভাববে ৬০০ টাকার সঙ্গে প্লাস ডিএটা যোগ হয়। এখন সাত শতাংশ। ৬০০ আর ৩৬০ মানে প্রায় ৯০০ মানে হাজার টাকা। আরও আছে তাদের এডুকেশনাল যে সিস্টেম তাতে দুজন সন্তানকে একদম আপনার প্রায় তিন হাজার টাকা করে মাসে পায়। একজন হোস্টেল ভাতা পায়। মানে এই যে ভাতাগুলো তা যোগ করলে একটা এক নম্বর স্কেলেই কোথায় চলে যাবে আপনাদের ধারণা নেই।'

ওষুধ কেনার টাকাও দেয় কেন্দ্রীয় সরকার?

ওষুধ কেনার টাকাও দেয় কেন্দ্রীয় সরকার? এই প্রশ্নের জবাবে মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, 'ওষুধ কেনার ব্যাপারটা দেখুন। আমাদের ৫০০০ টাকা করে কেটে নেয় সরকার। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের আপনার যখন রেজিস্ট্রেশন করতে হয় তখন একটা টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। মানে স্বাস্থ্য স্কিমে ঢুকলে যে যারা ঢোকে তাদের টাকা দিয়ে করতে হয়। একবারে দেওয়া হয়। তারপরে আনলিমিটেড।'