আপনারও কি নিজস্ব গাড়ি রয়েছে? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। শহরে একটি বড়সড় পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩,৫০০ কিলোগ্রামের কম ওজনের পেট্রোল, ডিজেল এবং সিএনজি চালিত হালকা পণ্যবাহী যানবাহন অর্থাৎ এলজিভি-র রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ই-কমার্স ডেলিভারি, কুরিয়ার, এফএমসিজি (FMCG) এবং শহরের অভ্যন্তরে ডেলিভারি ব্যবসার সাথে জড়িত যানবাহনগুলোকে সরাসরি প্রভাবিত করবে। এই যানবাহনগুলোর মধ্যে রয়েছে পিকআপ ট্রাক, ছোট ট্রাক এবং ভ্যান।

ব্যান হয়ে গেল পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ি?

 গত ১৮ই আগস্ট সিএকিউএম-এর ২৯তম পূর্ণাঙ্গ সভায় নির্দেশিকা নং ১০২ অনুমোদিত হয়। এর অধীনে, দূষণকারী পেট্রোল, ডিজেল এবং সিএনজি দ্বারা চালিত এন১ ক্যাটাগরির এলজিভি-গুলির নতুন নিবন্ধন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে এনসিআর-এর পার্শ্ববর্তী জেলা যেমন গুরুগ্রাম এবং গাজিয়াবাদেও একই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো বৈদ্যুতিক এলজিভি-র ব্যবহারকে উৎসাহিত করা এবং শহরকে বায়ুদূষণমুক্ত করা। দিল্লি-এনসিআর-এ মোট যানবাহনের মধ্যে এলজিভি-র সংখ্যা মাত্র ১.২ শতাংশ হলেও, মোট পার্টিকুলেট ম্যাটার (পিএম) নির্গমনে এদের অবদান প্রায় ৩.৩ শতাংশ। দিল্লির দূষণ এখন গোটা বিশ্বে পরিচিত। ফলে এই 'দুর্নাম' ঘোচাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। 

দূষণ বাড়ছে রাজধানীতে 

সিএকিউএম (CAQM)-এর মতে, দিল্লি-এনসিআর-এ পিএম ২.৫ (PM 2.5) দূষণের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস হলো মোটরযান খাত। মোট সক্রিয় যানবাহন বহরের প্রায় ১.২% হলো এলজিভি (LGV), কিন্তু এই যানবাহনগুলো থেকে নির্গত পার্টিকুলেট ম্যাটারের প্রায় ৩.৩% নির্গত হয়। সিএকিউএম-এর নির্দেশিকা নং ১০২ অনুসারে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দিল্লিতে নতুন ডিজেল, পেট্রোল এবং সিএনজি এন১ (N1) এলজিভি-র নিবন্ধনের উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। 

এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে এটি এনসিআর-এর উচ্চ যানবাহন-ঘনত্বপূর্ণ জেলা গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ, সোনিপত, গাজিয়াবাদ এবং গৌতম বুদ্ধ নগরে কার্যকর করা হবে। সিএকিউএম ২০২৫-২৬ সালের প্রস্তাব আহ্বানের অধীনে চারটি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য দুই বছরে মোট ৩,২৫,৫৬,৩৯৩ টাকার আর্থিক সহায়তা অনুমোদন করেছে।