বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরম যেন কাটতেই চাইছে না। এদিকে আবহাওয়া অফিসের লেটেস্ট আপডেট অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা (South Bengal Weather) বাড়ছে। যেহেতু বর্তমানে কলকাতার উপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা বিস্তৃত থাকায় আগামী ২৪–৭২ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আজ অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বিচ্ছিন্ন কিছু স্থানে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার কলকাতা সহ জেলায় জেলায় রয়েছে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবার কিছু জেলায় রয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। 

দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা 

লেটেস্ট আপডেট অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদীয়া এবং সংলগ্ন এলাকাগুলি। সেইসঙ্গে দাপট থাকবে বজ্রবিদ্যুতের। ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। আজ এক কথায় তোলপাড় করা আবহাওয়া থাকবে বাংলায়। আজ বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার এক বা দুটি জায়গায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

IMD কলকাতা জানিয়েছে, আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত এই বর্ষণ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ এবং ৮ই আগস্ট দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে। এই সময়ে বজ্রপাতসহ ঝড় এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।

কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এছাড়াও বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং ও কালিম্পঙ জেলায়। বর্তমানে উত্তরবঙ্গের উপর অবস্থান করা মৌসুমি অক্ষরেখা আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের দিকে সরে আসবে। ফলে ৬ ও ৭ আগস্ট কলকাতা-সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাবে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।