সল্টলেক এলাকায় শুরু হতে চলেছে পাইপ বাহিত গ্যাস পরিষেবা। এই পরিষেবা শুরু হওয়ার পর রান্নার গ্যাসের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চললে, আসন্ন দুর্গা পুজোর আগেই নতুন গ্যাস স্টেশন চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন গ্যাস স্টেশন চালু হওয়ার ফলে উপকৃত হবে গৃহস্থের হেঁসেল থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী পরিষেবা। সে সমস্ত গাড়ি, মানে সিএনজি চালিত অটো, ট্যাক্সি, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাসে গ্যাস ভরানোর জন্যও এই স্টেশন কাজে লাগবে।
সল্টলেকে পৌঁছাবে পাইপবাহিত রান্নার গ্যাস!
সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস রিফিল করার প্রক্রিয়া অনেকটাই সময় সাপেক্ষ। সময়ে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না, এমন অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। এই গ্যাস স্টেশনের মাধ্যমে পাইপ লাইন বাহিত গ্যাস পরিষেবা শুরু হলে সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সল্টলেকের নির্বাচিত কিছু এলাকায় প্রথম ধাপে মিলবে এই সুবিধা। খবর অনুযায়ী, ইন্দিরা ভবন, যা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর বাড়ি বলে পরিচিত, তার পাশেই তৈরি হচ্ছে এই গ্যাস স্টেশন।
আরও পড়ুনঃ মুষলধারে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়, সারাদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?
প্রাথমিক পর্যায়ে আগামী দু'বছরের মধ্যে সেক্টর ১, ২ ও ৩-এ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই তিন সেক্টরে পরিষেবা শুরু হলে উপকৃত হবে প্রায় ২৬ হাজার পরিবার। পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি)। বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিসিএল)–এর দাবি অনুযায়ী, সল্টলেক অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিয়ে এগোচ্ছে কাজ।
শুরু হয়েছে পাইপ বসানোর কাজ
বর্তমানে সিএনজি পাওয়া যাচ্ছে শহরের সীমিত কিছু এলাকায়। গ্যাস ভরানোর জন্য চালককে ছুটে যেতে হয় রাজারহাট-নিউ টাউন, কসবা, গড়িয়া, সিঁথির মোড়, কাঁকুড়গাছি ও কল্যাণীর পাম্পে। এখানে ২৪ ঘণ্টাই পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় মাটির নীচে পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাইপ বসানোর পর ধাপে ধাপে গৃহস্থের হেঁসেলে পৌঁছে দেওয়া হবে রান্নার গ্যাস।
আরও পড়ুনঃ ২ আগস্ট অবধি বাংলায় বাতিল থাকবে বহু ট্রেন, দেখে নিন তালিকা
“আগামী দেড় থেকে দু'বছরের মধ্যে সল্টলেকের প্রতিটি বাড়িতে পিএনজি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রাজারহাট, বারাসত, মধ্যমগ্রাম ও রাজপুর-সোনারপুর এলাকায় মোট পাঁচ লক্ষ বাড়িতে পিএনজি সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে,” বলেছেন বিজিসিএলের সিইও অনুপম মুখোপাধ্যায়।

