“ভোট দিতে পারবেন” SIR নিয়ে বিরাট কথা বলে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

Cji Suryakant On SIR

“ভোট দিতে পারবেন” SIR নিয়ে বিরাট কথা বলে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

Bikram Bandyopadhyay

Published on:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: SIR ইস্যু নিয়ে গঙ্গা দিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক (Cji Suryakant On SIR)। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন বঙ্গের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR মামলা। আর এই প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের অন্তত 60 লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, 60 লাখ বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা 10 লাখ লোকের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এদিকে রাজ্য পক্ষের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আবার অন্য কথা বলছেন। তাঁর দাবি, মাত্র 7 লাখ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে আজ পর্যন্ত।

সুপ্রিম কোর্টের সাথে মতপার্থক্য রাজ্যের আইনজীবীর

মঙ্গলবার, দেশের শীর্ষ আদালতে SIR মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গের 60 লাখ বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা 10 লাখ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন 200 জুডিশিয়াল অফিসার। যদিও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এমন বক্তব্যের সাথে একমত নন রাজ্য পক্ষের আইনজীবী মেনকা। তাঁর দাবি, রাজ্যের 7 লাখ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে আজ পর্যন্ত। এখনও 57 লাখ বাকি।

এদিকে বারবার সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলছেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চিঠি পেয়েছেন তিনি। তিনি জেনেছেন রাজ্যে 60 লাখ বিবেচনাধীন ব্যক্তির তালিকা থেকে 10 লাখের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিন শুনানি চলাকালীন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারক সূর্যকান্ত এও বলেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিজেদের মতো কাজ করতে দেওয়া হোক। কোথায় কী হচ্ছে তিনি সেটা জানেন। এমন বক্তব্যের পর রাজ্য পক্ষের আইনজীবী গুরুস্বামী একেবারে পরিষ্কারভাবে জানান, তারা জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলেননি।

রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, “ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কোনও ভোটারের সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তবে তিনি ভোট দিতে পারবেন। সমস্ত বৈধ ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই আমাদের বিচার বিভাগ কাজ করছে। কিন্তু এক্ষেত্রে যেন কোনও জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন না উঠে। যদি কেউ সেটা করেন বা করার চেষ্টা করেন তবে তাঁকে দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা করা হবে।”

অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপ জেতায় টিম ইন্ডিয়ার উপর টাকার বৃষ্টি BCCI-র! কত টাকা পেলেন সূর্যরা?

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য শুনে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। বিচারপতি আবার বলেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। সকলকে সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে যেন এই ধরনের কাজ না হয়। এদিন প্রধান বিচারপতি আরও একটি বিষয়ে খুব স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন, প্রয়োজন পড়লে সুপ্রিম কোর্ট প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ট্রাইবুনাল গঠন করবে। সেখানেই জুডিশিয়াল অফিসারের নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করা যাবে। জানানো যাবে অভিযোগ।

Connect Us ➥